Thursday, December 17, 2015

Bcs cadre choice .alljobbd

এডমিনঃ ১ম কথা হল, ৯০% সচিব এডমিন
থেকে হয়। শুধু পররাষ্ট্র সচিব ছাড়া সকল
সচিবই এডমিন থেকে নিয়োগের
ইতিহাস আছে। বর্তমানে কয়েকজন
মাত্র সচিব অন্য ক্যাডারের। তাই যারা
ভবিষ্যতে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠতে চান
তাঁদের জন্য এডমিনই ভাল চয়েস। প্রথমে
একটি ডিসি অফিসে কাজ করতে হবে
সহকারী কমিশনার হিসেবে। ২/৩ বছর
সময়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা AC
(Land) এর দায়িত্ব পাবেন। এরপর
ইউএনও,এডিসি, ডিসি। পাশাপাশি
মন্ত্রণালয়েও সহকারী সচিব, উপসচিব…
হিসেবে অনেকে কর্মরত থাকেন।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পোস্টিং
হয়। তাই এডভেঞ্চার আছে, এটা এনজয়
করতে পারলে ভাল লাগবে। মানুষের
সাথে সরাসরি কাজ। তাই সত্যি যদি
আপনার ইচ্ছা থাকে, মানুষের জন্য কাজ
করবেন – সে সুযোগ এখানে আছে।
জুডিশিয়াল সার্ভিস আলাদা হওয়ার
পরে এডমিন ক্যাডার নিয়ে অনেক
নেগেটিভ কথা শুনা গেছে। বিশেষত
আমরা যখন জয়েন করি, তখনই বিষয়টা শুরু
হইছিল। তাই অনেকের মাঝে হা-হুতাশ
ছিল। এখন কিন্তু সেটা শুনা যায় না
তেমন। তখন ভাবা হচ্ছিল
মেজিস্ট্রেসি বলতে কিছুই আর এডমিন
অফিসারদের থাকবে না। আসলে তো
তা নয়। যে কোন দেশেই শান্তি-
শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এডমিন
অফিসারদের বিকল্প নেই। একজন নন-
আর্মড অফিসার অর্ডার করবে, আর আর্মড-
পার্সনরা সেটা পালন করবে। এটাই যে
কোন সভ্য দেশের নিয়ম। তাই এখন
সরকারের প্রয়োজনে সহকারী
কমিশনারগণ নিয়মিতই ম্যাজিস্ট্রেসি
দায়িত্ব পালন করেন। মোবাইল কোর্টসহ
অনেক দায়িত্বই আপনি পাবেন। এরপর
পদোন্নতি ভীষণ স্লো – এমন কথা
এডমিনের নামে শুনা যায়। কথাটা
কিছুটা সত্য। তবে আপনারা যারা এখন
জয়েন করবেন, তাঁদের জন্য ভাল খবর
হচ্ছে – ২০১৯ সালের দিকে অনেক বড়
ব্যাচ রিটায়ার করবে। তখন প্রোমোশন
দ্রুত হবে বলে মনে হয়।
পুলিশঃ পুলিশকে সবার প্রয়োজন। তাই
সরকারী চাকরি করে পরিচিতজনের
কাছে কেন্দ্রবিন্দু হবার সৌভাগ্য এখন
পুলিশেরই সবচেয়ে বেশী। যে যাই বলুক,
আপনার মোবাইল নাম্বারটা সবার
আকাঙ্ক্ষিত হবেই। আর এই আকাঙ্ক্ষা
পূরণ করাও পুলিশ ক্যাডারদের পক্ষে
সম্ভব। কাউকে সরাসরি বিপদ থেকে
রক্ষা বা আইনি সহায়তা তাঁদের
হাতেই। তাই যারা মানুষকে সরাসরি
সাহায্য করতে চান, তাঁদের জন্য পুলিশ
হওয়াই আমাদের দেশে সবচেয়ে
উপযোগী। আর এই সৌভাগ্যের সাথে
ঝুঁকির কথাও একটু মাথায় রাখুন।
রাজনৈতিক সমস্যা থেকে শুরু করে
আইনগত সকল সমস্যা পালনের জন্য ঝুঁকি
নেবার সাহসটুকু থাকতে হবে। আর ফিল্ড
লেভেলে কাজ করতে নেতা-
কর্মীদের ম্যানেজ করে দায়িত্ব
পালনের বিষয়টাও আছে। ট্রেনিং
শেষে পোস্টিং হলে এএসপিকে
সরকারী গাড়ি দেয়া হয় দায়িত্ব
পালনের জন্য, যেটা আর মাত্র দু-একটা
ক্যাডারে আছে। জাতিসংঘ
শান্তিরক্ষা মিশনে পুলিশ
অফিসারদের অনেকেই সুযোগ পায়।
এতে বেশ ভাল আর্থিক সুবিধা পাওয়া
যায়, সাথে একটু ঝুঁকি তো আছেই।
আবার উপরের লেভেলে পোস্ট কম। তাই
উপরে পদোন্নতি একটু স্লো, তবে
আমাদের দেশে এসপিই অনেক বড় কিছু,
আর তাঁর উপরেরগুলোতো আছেই। মাঝে
মাঝে আপনার ব্যক্তিগত কোন দোষ না
থাকলেও সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবীদের
গালি সরাসরি শুনতে হতে পারে। তবে
সেটা আপনার আড়ালে, সামনে পড়লে
মোবাইল নাম্বারই নিয়ে নেবে।
পুলিশের এএসপিদের অধীনে কনস্টেবল
থেকে শুরু করে অনেক পুলিশ সদস্য
থাকে, তাই দেশের যেখানেই
যাবেন, লজিস্টিক সাপোর্ট থাকবে।
অডিটঃ অডিটে অবশ্য সব সময়ই অল্প ক’টা
পোস্ট থাকে। আর যেহেতু পোস্ট অল্প,
তাই পদোন্নতি দ্রুত। মোটামুটি
বিভাগীয় শহরগুলিতেই পোস্টিং।
অডিট হচ্ছে অন্যের ভুল, অনিয়ম এসব ধরা।
তাই যে অফিসেই অডিট করবেন, বেশ
সম্মানই পাবেন।
ট্যাক্স ও কাস্টমসঃ ৩৫-তম বিসিএসের
সার্কুলারে এই ২টা ক্যাডারে কোন পদ
নেই। এটা আপনাদের জন্য দুর্ভাগ্যেরই
বিষয়। আগে এত অফিসার নিয়ে
নিয়েছে, এখন আর খালি নেই। তাই
এখানে এগুলো নিয়ে কিছু বললাম না।
ইকনমিকঃ সচিবালয়ে বা পরিকল্পনা
কমিশনে অফিস। তাই ঢাকায়
পোস্টিং। ইকোনোমিক ক্যাডারের
অফিসারগণ প্লানিংয়ের কাজ করেন।
তাই যারা রিসার্চ রিলেটেক কাজে
ইচ্ছুক, তাঁদের জন্য এটা ভাল চয়েস।
হয়তো রিসার্চমুখী বলেই ইকনমিক
ক্যাডারের অফিসারদের একটা বড়
অংশ বিদেশে ডেপুটেশান বা
শিক্ষাছুটিতে পড়াশুনা করে। আবার
অনেকদিন ধরেই ইকনমিক ক্যাডারকে
এডমিনের সাথে যুক্ত করে ফেলবে
বলে আলোচনা হচ্ছে। মানে এটা হলে
ইকনমিক ক্যাডাররা এডমিন হয়ে যাবে।
তবে এটা দীর্ঘদিন ধরেই ঝুলে আছে।
তাই এখন এসব জেনে লাভ নেই। কাজ
প্রোজেক্টের প্লানিং। তবে উপরের
দিকে পদন্নোতির সুযোগ একটু কম।
তথ্যঃ তথ্য ক্যাডারের অফিসারদের
কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কাজের
সুযোগ আসতে পারে। মন্ত্রণালয়ে
মাননীয় মন্ত্রীগণের Public Relations officer
(PRO), বিদেশে কয়েকটা দূতাবাসে
তথ্য কর্মকর্তা, এমনকি মাননীয়
প্রধানমন্ত্রীর ও মহামান্য রাষ্ট্রপতির
অফিসেও তথ্য কর্মকর্তা হতে পারেন।
তবে এগুলো সাধারণত স্বল্পকালীন হয়।
পররাষ্ট্রঃ এটাতে আমি চাকরি করি,
তাই ঢাক পিটানো হয়ে যাবে কিনা
ভাবছি। যাই হোক, ফরেনে চাকরি
হলে আপনি সেগুন বাগিচায় পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিবেন। শুধু বাসা
থেকে অফিসে আসা আর ৫টায় অফিস
থেকে বের হতে পারলে বাসায়
ফেরা এ দুই সময় অফিসের মাইক্রো
পাবেন। দুই বছর পূর্ণ হলে আপনি
বিদেশে দূতাবাসে পোস্টিংয়ের
জন্য উপযুক্ত বলে ধরা হয়। তবে পোস্টিং
হতে ৩ বছরের মত লাগে। কেউ কেউ
নিজেই দেরী করে বিদেশে
পোস্টিং নেয়। এক্ষেত্রে আমার
ব্যাচের অভিজ্ঞতা এরকম – অফিসার
১৩ জন। এর মধ্যে ২ জন যোগদানের দুই বছর
পরেই পোস্টিংয়ে চলে গেছে। ৪ জন
ডেপুটেশানে বিদেশে পড়ছে (১ জন
যুক্তরাষ্ট্রে, ৩ জন অস্ট্রেলিয়ায়)। তিন
বছরের কাছাকাছি সময়ে আরো ৪ জন
পোস্টিংয়ে গেছে। বাকি ৩ জন
নিজেরা পোস্টিংয়ে যায়নি,
তাঁদের সুযোগ এসেছিল। বিদেশে
পোস্টিং হলে ফরেন ভাতা পাবেন।
যা পাওয়া যায়, তাতে বিদেশে
বিলাসিতা করা যায়না, সংসার
চলে। পদোন্নতির সাথে সাথে
এলাউন্স বাড়বে। পোস্টিংয়ে থাকা
কালে মোটা দাগে বললে বাসা
ভাড়া, ২ জন ছেলেমেয়ের পড়াশুনার
খরচ, পরিবারের চিকিৎসার ৯০% খরচ
সরকার বহন করে। পোস্টিংয়ে থাকা
অবস্থায় যে কোন দেশের
ডিপ্লোমেটরা ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি
কিনতে পারে। তবে গাড়ি দেশে
আনতে হলে ট্যাক্স দিতে হবে।
অফিসার অল্প, তাই কাজের অনেক চাপ।
আবার চাকরিই যেহেতু ফরেনে, তাই
অনেক বিদেশে ঘুরতে পারবেন।
পোস্টিংয়ের আগেও ট্রেনিং,
কনফারেন্স ইত্যাদিতে বিদেশে
যাবার সুযোগ আসবে অনেকের। তবে
পরিবার ফেলে দীর্ঘদিন বিদেশে
থাকা কষ্টকরও বটে। আবার এক দেশে
পোস্টিং ৩ বছরের জন্য, এরপর অন্য দেশে
৩ বছর, পরের ৩ বছর ঢাকায়। এটা
জেনারেল পোস্টিং প্যাটার্ন। তাই
এই ঘন ঘন চেঞ্জ নিজের এবং
ছেলেমেয়ের জন্য ঝামেলার।
অন্যদিকে ফরেনে অফিসার অল্প বলে
পদোন্নতির সুযোগ অন্য চাকরি থেকে
ভাল। আমি নিজেই দেখেছি যে, একই
বিসিএসের ফরেনের অফিসার জয়েন
সেক্রেটারি আর অন্য ক্যাডারের
অফিসার সিনিয়র এসিট্যান্ট
সেক্রেটারি ছিল। এতদিন এটা
প্রচলিত ছিল যে ফরেনে জয়েন করলে
সে Ambassador হয়ই। ভবিষ্যতে কি হবে
জানি না। তবে এখন পর্যন্ত প্রায়
প্রতিটি অফিসারই সময় হলে Ambassador
হয়েছে। রাষ্ট্রদূত দেশকে প্রতিনিধিত্ব
করে, তাই সম্মান মনে হয় একটু পাবেন।
বেশ হোমরা-চোমরা লোকজনের
সাথে মাঝেই দেখা বা মিটিং
সিটিং হবে। তবে দেশে
রাস্তাঘাটে আপনাকে কেউ চিনবে
না।
ক’দিন আগে কয়েকজন তরুণ সাহিত্যিক
কয়েকটা লেখা দিয়ে সমালোচনা
করতে বলল। কিন্তু সমালোচনা করার
পরে তাঁরা আমার উপর ক্ষেপে গেল।
আমি নাকি সবাইরে প্রশংসা করে
গেছি। আমার মন্তব্য থেকে তাঁরা
সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। কী আর
করা – খারাপ বলতে মনে হয় একটু বেশি
সাহস লাগে। যাই হোক, সেই বিষয়টা
মাথায় রেখে, এখানে আমি একজন
বিসিএস পরীক্ষার্থী যেভাবে
ভাবে, সেভাবেই বিভিন্ন
ক্যাডারের কিছু বিষয় দিতে চেষ্টা
করলাম। এগুলো শুধুই তথ্য। অন্যদের কথাও
শুনুন। এরপর নিজের বিচার দিয়ে ভাবুন –
কোন কাজটা আপনি করতে চান।
কোনটায় আনন্দ পাবেন। সেভাবেই
চয়েস দিন। জব এনজয় না করতে পারলে
ক্যারিয়ারকে ভালবাসতে পারবেন
না। তাই আনন্দ খুঁজে পাওয়াই হোক
চয়েসের ভিত্তি। এবার দুটা প্রশ্ন,
যেগুলো মেসেজে অনেকবার এসেছে

সার্কুলারে কোন একটা ক্যাডারে
অল্প ক’টা পোস্ট আছে। তো সেটা কি
চয়েসে দিব?
আমার ২৮-তম বিসিএস-এর চয়েস
নির্ধারণ করতে গিয়ে দেখি অডিটে
মাত্র ২/৩ পোস্ট। তো বন্ধু বলল, এটা
চয়েসেই দিবে না। কোটা বাদ দিলে
১/২ পোস্ট – সেটা চয়েসে দিয়ে কী
হবে? এটা একেবারেই ভুল কথা। পোস্ট
বেশি থাক আর কম থাক নিজে যেই
চাকরিটা আগে করতে চান সেভাবেই
চয়েস দিন। আর পোস্ট পরবর্তীতে
বাড়াতে বা কমাতে পারে।
সাধারণত কমায় না। কখনও কখনও বাড়ায়।
তাই যেসব ক্যাডারের সার্কুলার
হয়েছে, সেগুলোতে আপনার পছন্দমত
সিরিয়ালে চয়েস দিয়ে দিন।
মোট কয়টা চয়েস দিব?
আমার অভিমত হল – যেই চাকরিগুলো
হলে আপনি অবশ্যই করবেন, শুধু সেগুলোই
চয়েস দিন। এক্ষেত্রে ২টা ইস্যু। (১)
যারা বিসিএসে যে কোন ক্যাডার
হলেই চাকরি করবেন, তাঁরা সার্কুলার
দেখে যেগুলোতে এপ্লাই করতে
পারবেন, সবগুলো চয়েস দিয়ে দিন। (২)
আর যারা মনে করেন – কয়েকটা
ক্যাডার না হলে আসলেই চাকরি
করবেন না, তাঁরা প্লিস অন্য ক্যাডার
চয়েস দিয়েন না। চাকরি হল আর আপনি
জয়েন করলেন না বা কিছুদিন পরে
ছেড়ে দিলেন, সেটা সবার জন্য
খারাপ। দেশের জন্যও খারাপ।
তখন আমার ২৮-তম এর ফাইনাল রেজাল্ট
ও মেডিকেল হয়ে গেছে। কিন্তু
গেজেট তখনও হয়নি। সেই সময় ২৯-তম
বিসিএসের ভাইভা শুরু হয়ে গেল। এখন
২৮ আর ২৯ দুটোতেই আমার ফার্স্ট চয়েস
ফরেন। আমি ২৯-তমের ভাইভা দিতেই
গেলাম না। ভাবলাম – একটা পোস্ট নষ্ট
করব কেন। আমার পরিচিত বেশ
কয়েকজনকে দেখলাম – ২৮তমে ফার্স্ট
চয়েস পেয়েও আবার ২৯-এ ভাইভা
দিলেন। বললেন, তখনও গেজেট হয়নি।
কী হয় কিছু বলা যায় না। রিস্ক তো
আছেই। যাই হোক, তাঁরা বেশি
সতর্কতামূলকভাবে এটা করেছেন।
ব্যক্তিগতভাবে এটা দোষের নয়।
আইনসিদ্ধও বটে। কিন্তু যেটা হয়েছে,
অনেকেই ২বার চাকরি পেয়েছে। আর
দ্বিতীয়বার জয়েন করেনি। সে
পোস্টগুলো ফাঁকা গেছে। কিছু নাকি
কোটা থেকে পুরণ করেছে। এতে
সরকারের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও
অনেক পোস্ট খালিই থেকেছে। আর
কিছু যোগ্য লোক চাকরি পায়নি।
হয়তো তাঁদের বয়স চলে গেছে। তাই
আপনি যে চাকরিটা পেলে আসলেই
করবেন, শুধু সেটাই চয়েস দিন। তবে
যারা ক্যাডার চেঞ্জ করতে আবার
পরীক্ষা দিচ্ছেন, তাঁদের জন্য ঠিকই
আছে।
সবার জন্য অব্যয় অনিন্দ্য’র শুভকামনা।
সুজন দেবনাথ
২৮ তম বিসিএস
বিসিএস(পররাষ্ট্র)
সহকারী সচিব,বাংলাদেশ পররাষ্ট্র
মন্ত্রনালয়।

Tuesday, December 15, 2015

Grameenphone দিচ্ছে এখন বন্ধ সিম অফার for the all inactive customers. এই অফারের অন্তর্ভুক্ত গ্রাহকেরা পাবে 2GB 9 TK and 8GB 36 Tk internet data.

Grameenphone দিচ্ছে এখন বন্ধ সিম অফার for the all inactive customers. এই অফারের অন্তর্ভুক্ত গ্রাহকেরা পাবে 2GB 9 TK and 8GB 36 Tk internet data.

Grameenphone দিচ্ছে এখন বন্ধ সিম অফার for the all inactive customers. এই অফারের অন্তর্ভুক্ত গ্রাহকেরা পাবে 2GB 9 TK and 8GB 36 Tk internet data.
এর জন্য আপনার যা লাগবেঃ
একটি অব্যবহৃত গ্রামিনফোন সিম যেটি গত দেড় মাস বা তার চেয়ে বেশি সময় বন্ধ ছিল।
প্রথমে আপনার একটি সচল গ্রামিনফোন সিম থেকে অব্যবহৃত গ্রামিনফোন সিমের নম্বরটি যাচাই করে নিন ।
আপনার সিমটি এই অফারের আওতাভুক্ত আছে কিনা… যাচাই করতে আপনার মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন BHK> 017......... আর পাঠিয়ে দিন 9999. যদি এরকম “you are eligible for’ ম্যাসেজ পান তাহলে আপনি ৩৬ টাকা খরচ করে ৪ বারে ৮ জিবি ইন্টারনেট ডাটা কিনতে পারবেন।
৯ টাকায় ২ জিবি নিতে ডায়াল করুন *১১১*৯০#
এই ইন্টারনেটের মেয়াদ ১৫ দিন.. এবং আপনি চাইলে Flexi-plan দিয়ে মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে পারবেন… এই ডাটা দিন-রাত ২৪ ঘন্টা ব্যবহার করা যাবে.
এছাড়াও রয়েছে ১ টাকায় ১০০MB নিতে ডায়াল করুন *৫০০০*৭৭#
সর্বোচ্চ ৩ বার নেয়া যাবে।
ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *৫৬৬*১০#
আপনি আপনার রেফারার নাম্বারকে ১০০ mb দিতে পারবেন যেটা আপনার ইন্টারনেট ব্যালেন্স থেকে কাটা যাবে।
রেফারার নাম্বারকে ১০০ mb দিতে ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন SN space “number” send to 9999।

Sunday, December 13, 2015

সাধারণ জ্ঞানের ২০ পরামর্শ পিএসসির নির্ধারিত তারিখ অনুসারে আগামী ৮ জানুয়ারি হচ্ছে বিসিএস ৩৬তম প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এই পরীক্ষার নানা দিক নিয়ে নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন ৩০তম বিসিএস পরীক্ষায় সম্মিলিতভাবে মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকারী সুশান্ত পাল।

আমি যখন বিসিএস পরীক্ষা দিচ্ছিলাম, তখন সবচেয়ে কম পারতাম (প্রায় পারতাম না বললেই চলে) সাধারণ জ্ঞান। জানুয়ারির ৫ তারিখ পরীক্ষা ধরে নিয়ে প্রিলির জন্য হাতে মাত্র এক মাস থাকলে আমি যা যা করতাম বলে আপাত ভাবনায় মনে হয়, তা-ই লিখছি:
১. পুরো পেপার না পড়ে শুধু দরকারি শিরোনামগুলো পড়ে নিতাম। এ সময়ে কলাম আর আর্টিকেল পড়ার অত সময় নেই।
২. বিভিন্ন গাইড থেকে প্রতিদিন অন্তত তিন-চার সেট মডেল টেস্ট দিতাম।
৩. জব সল্যুশন এবং প্রিলির ডাইজেস্ট থেকে বারবার আলোচনাসহ প্রশ্নোত্তরগুলো দেখতাম।
৪. কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স, কারেন্ট ওয়ার্ল্ড, কারেন্ট নিউজসহ এই ধরনের বিভিন্ন বইয়ের প্রিলির জন্য স্পেশাল সংখ্যাগুলো কিনে পড়ে ফেলতাম।
৫. আমার যে বন্ধুরা সাধারণ জ্ঞানে আমার চেয়ে ভালো, তাদের সঙ্গে এটা নিয়ে কথা বলা অবশ্যই বন্ধ করে দিতাম।
৬. কী কী পারি না, সেটা নিয়ে মাথা খারাপ না করে, অন্য বিষয়গুলো ভালো করে দেখে নিতাম। বিসিএস পরীক্ষা সাধারণ জ্ঞানে পাণ্ডিত্যের খেলা নয়।
৭. প্রতিদিন গড়ে ১৫ ঘণ্টা করে পড়াশোনা করলে ৩০ দিনের মধ্যে সাধারণ জ্ঞানের জন্য সময় দেওয়া যায় খুব বেশি হলে ৭০ ঘণ্টা। আর এত কম সময়ে রেফারেন্স বই না পড়াটাই বেটার।
৮. পড়ার সময় শুধু এটা মাথায় থাকত, যা পড়ছি, তা পরীক্ষার জন্য লাগবে কি লাগবে না। নিশ্চয়ই এখন জ্ঞানার্জনের সময় নয়।
৯. যত বেশি বাদ দিয়ে পড়া যায়, ততই ভালো। এতে প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো একাধিকবার পড়া যাবে।
১০. ধীরে ধীরে পড়ে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দিয়ে পড়ার চেয়ে খুব দ্রুত বেশির ভাগ পড়ে নেওয়াটা ভালো। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
১১. চারটা রেফারেন্স বই পড়ার চেয়ে তিনটা গাইড বইয়ের প্রশ্নোত্তরগুলো পড়ে ফেলাটা অনেক বেশি কাজের।
১২. এখন বিসিএস প্রিলির সিলেবাস ধরে সাধারণ জ্ঞান পড়ার সময় নেই। যত বেশিসংখ্যক, তত বেশি প্রশ্নোত্তর প্রশ্নব্যাংক, গাইড বই, ডাইজেস্ট থেকে পড়ে নিতাম।
১৩. বারবার পড়লেও মনে থাকে না, এ রকম অনেক কঠিন কঠিন প্রশ্ন আছে। সেগুলো মনে রাখার চেষ্টা না করে ওই একই সময়ে পাঁচটা কঠিন প্রশ্নের বদলে ২০টা সহজ প্রশ্ন মাথায় রাখার চেষ্টা করতাম। অহেতুক এবং অনর্থক জেদ পরীক্ষার প্রস্তুতি নষ্ট করে।
১৪. সাল, তারিখ, সংখ্যা, চুক্তি, নানা তত্ত্ব, সংস্থা, বৈঠক এসব বারবার পড়ে মনে রাখার চেষ্টা করতাম।
১৫. সাধারণ জ্ঞানের অনেক আগের পরীক্ষার কিছু প্রশ্ন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। সেগুলো বাদ দিতাম।
১৬. গুগলে ইংরেজিতে কিংবা অভ্রতে বাংলায় টাইপ করে করে অনেক প্রশ্নেরই সঠিক উত্তর সহজে খুঁজে পাওয়া যায়। এতে অনেক সময় বাঁচে।
১৭. সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন ঘটনা, চুক্তি, বিভিন্ন পুরস্কার, নানা আন্তর্জাতিক এনটিটির নাম, সদর দপ্তর, বিভিন্ন স্থানের নাম, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ, চুক্তি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিতে বিভিন্ন পেপারের আন্তর্জাতিক পাতাটিতে নিয়মিত চোখ বুলাতাম।
১৮. ম্যাপ মুখস্থ করা, ছড়া-গান-কবিতা-গল্প দিয়ে নানা ফালতু তথ্য মনে রাখা, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজধানী আর মুদ্রার নাম মুখস্থ করা, জোর করে হলেও সংবিধান কণ্ঠস্থ করা, অর্থনৈতিক সমীক্ষা থেকে রাজ্যের সংখ্যাযুক্ত জিনিসপত্র মাথায় বোঝাই করাসহ বোকা বোকা আত্মতৃপ্তিদায়ক পড়াশোনা করার সময় এখন নয়। ‘ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য!’
১৯. চমকে যাওয়ার প্রশ্নে চমকে যাওয়ার অভ্যাস থেকে সরে আসতাম। সবাই যা পড়ছে, আমাকেও তা পড়তে হবে—এই ধারণা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষতিকর।
২০. বাইরে ঘুরে ঘুরে ঘোরাঘুরি ভালো হয়, কিন্তু পড়াশোনা কম হয়। এই ৩০ দিনে বাসায় নিজের মতো করে না পড়ে যত ঘণ্টা বাইরে ঘোরা হবে, নিজের কফিনে ততটা পেরেক মারা হয়ে যাবে। এটা খুব ভালোভাবে বুঝতে পারবেন রেজাল্ট বের হওয়ার পর!
আমি বিশ্বাস করি, খেলার রেজাল্ট হয় সব সময়ই খেলা শেষে; খেলার আগেও নয়, মাঝেও নয়। যতক্ষণ পর্যন্ত রেজাল্ট বের না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি কারোর চেয়েই কোনো অংশে কম নই। প্রস্তুতি ভালো হলেই যেমন পাস করা যায় না, তেমনি প্রস্তুতি খারাপ হলেই ফেল করা যায় না। ভালো প্রস্তুতি নেওয়া অপেক্ষা ভালো পরীক্ষা দেওয়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই কয় দিনে আপনি পড়াশোনা করার সময়ে আপনার সর্বোচ্চ পরিশ্রমটা দিয়ে বুঝেশুনে প্রস্তুতি নিলে আপনি প্রিলিতে অবশ্যই পাস করে যাবেন। আগে কী পড়েননি, সেটা নয়; বরং এই এক মাসে কী পড়বেন, সেটাই আপনার প্রিলিতে পাস কিংবা ফেল নির্ধারণ করে দেবে।

Saturday, December 12, 2015

দৈনন্দিন জীবনে খুব উপকারি ৩০ টি টিপস... প্রাত্যাহিত জীবনযাপনে ছোট ছোট কিছু পরামর্শ বা টিপস

জেনে নিন এমন ৩০ টি ছোট ছোট টিপস যা
অভ্যাস করে ফেললে আপনি আরো স্বাস্থ্যকর এবং
ফুরফুরে জীবন কাটাতে পারবেন।
1.আমাদের অনেক সময় গ্যাস এর সমস্যা হতে
পারে। যদি কারও এই সমস্যা হয় বা খাবার হজম
হতে না চায় তবে ১ গ্লাস পানির সাথে একটু লবণ
ও একটু চিনি মিশিয়ে খেয়ে নিবেন। এটি খুব দ্রুত
খাবার হজম করতে সাহায্য করবে।

2.তেজপাতা খুবই সামান্য একটা মশলা জাতীয়
খাবার। কিন্তু এর রস খুবই উপকারী। মাইগ্রেন এর
ব্যথা তাছাড়া কোথাও আগুনে পুড়ে গেলে
তেজপাতার রস ব্যথা উপশমে কাজ করে থাকে।
তেজপাতাতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন
সি, খনিজ উপাদান, এবং ফলিক এসিড।

3.প্রতিদিন দুই কয়া রসুন খেতে পারলে শরীরের
জন্য তা খুব ভাল ।রসুন ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে।
কৃমি থেকে পরিত্রাণ পেতে সাহায্য করে।
এছাড়াও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও
কোলেস্টেরল কমাতে ও ফাঙ্গাস দূর করতে
সাহায্য করে। ঠাণ্ডা কাশির প্রবনতা কমায়।

4.সবুজ শাক সবজি খুব উপকারী চুল এবং ত্বকের
জন্য। পালং শাক এবং ফুলকপিতে আছে প্রচুর
পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই,যা
আপনার স্কাল্প ভালো রাখে এবং চুল এর গোঁড়া
মজবুত করে। সেই সাথে ত্বক এর লাবণ্য ধরে
রাখতেও সবুজ সবজি খুবই উপাদেয়।

5.অনেকেই ভাবেন বেশি ভাত খেলে মোটা
হওয়ার প্রবণতা থাকে। অনেকেই আবার ডায়েট
থেকে একেবারেই ভাত বাদ দিয়ে দেন। এ দুটোই
ভুল ধারণা। Complex carbohydrate জাতীয় খাবার
হওয়ায় ভাত সহজেই হজম হয়। ১০০ গ্রাম ভাতে আছে
১০০ ক্যালরি। পরোটা ও রুটির তুলনায় ভাতই
ভালো। তবে ওজন, উচ্চতা ও বয়স অনুযায়ী ভাতের
পরিমাণের রকমফের হবে। ফ্যাট এর পরিমাণ
ভাতে খুব কম মাত্র ০.৪ গ্রাম। আটার রুটির প্রায়
সমান ক্যালরি ভাতে। ভাতে Niacin, vitamin-D,
calcium, fiber, thiamin ও Riboflavin যথেষ্ট পরিমাণে
রয়েছে। ভাতে Cholesterol ও Sodium নেই। তাই
Hypertension এ যারা ভুগছেন তারা ভাত খেতে
পারেন। পেটের সমস্যা থাকলে ভাত খান। কারণ
ভাতে Gluten নাই।

6.মাইগ্রেন এর ব্যথার সাথে ডায়েট এর সম্পর্ক
আছে। একটু সঠিক নিয়মে খাবার গ্রহণ করলেই এই
ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যাদের
মাইগ্রেন এর সমস্যা আছে তারা যখন বাইরে
যাবেন তখন বাসায় করা স্যলাইন, পানির সাথে
একটু চিনি অথবা মধু, একটু লবণ, মিশিয়ে খেয়ে
যাবেন এবং এসে আরও ১ গ্লাস খাবেন। এতে
অনেক উপকার পাবেন। তাছাড়া কখনো খালি
পেটে থাকবেন না। খালি পেটে থাকলে ব্যথা
আরও বেড়ে যায়।

লাল রঙ এর সবজি খেয়েও অনেক
উপকার পাবেন। যেমন গাজর, টমেটো ইত্যাদি।
শরীরটা চাঙ্গা করতে চা খাওয়ার অভ্যাস
তো সবারই আছে। এবার চা ছেড়ে ব্ল্যাক কফি
খাওয়ার অভ্যাস করুন।

দুধ, ক্রিম, চিনি এবং
অন্যান্য ফ্লেভার ছাড়া ব্ল্যাক কফি খেতে
পারলে ক্যালরিসমৃদ্ধ পানীয় পেয়ে যাবেন।

দাঁত মাজার সময় এক পায়ে দাঁড়িয়ে কাজটি
করুন। এটা যোগ ব্যায়ামের মতো। এতে আপনার
দৈহিক ভারসাম্য বাড়বে।

স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের জন্য অ্যাভোকাডো খুব
উপকারী খাবার। খাবারে মাখন বা পনির বাদ
দিয়ে এই বস্তুটি ছড়িয়ে নিন।

. প্রতিদিন বেশ কিছু সময় তো অলস বসে থাকা
হয়। এটি বাদ দিয়ে মাত্র মিনিট বিশেকের জন্য
মেডিটেশন করে নিন। বহু কাজের চাপে আসা
ক্লান্তভাব চলে যাবে।

ক্যান্ডির পরিবর্তে ফল খাওয়ার অভ্যাস করুন।
ক্যান্ডি আসলে উচ্চমাত্রার ফ্রুকটোজ সিরাপ যা
মিষ্টি স্বাদ দেয়। অন্যদিকে, ফলের মিষ্টি
স্বাদে থাকে প্রাকৃতিক চিনি। আবার এতে আঁশ
ও ভিটামিনও পাওয়া যায়।

রান্না শিখুন। এতে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে
পারবেন। আবার রান্ন শেখার মতো সৃষ্টিশীল
কাজও উপভোগ করতে পারবেন।

লক্ষ্যের চেয়ে একটু সামনে এগিয়ে যান বা
একটু ঘুরপথে লক্ষ্যে পৌঁছান। এতে শারীরিক
সক্ষমতা বাড়বে।

ভবনে উঠতে এলিভেটরের পরিবর্তে সিঁড়ি
ব্যবহার করুন। এতে শক্তি ও উদ্যোম বাড়বে। পায়ের
পেশী দৃঢ় হবে।

ক্ষুধা নিয়ে খাবার কিনুন। এতে ভালো
মানের খাবার কেনার জন্য মন সাঁয় দেয়। দেখা
গেছে, কিছু খেয়ে খাবার কিনতে গেলে
অপেক্ষাকৃত অকাজের খাবার বেশি কেনা হয়।

বেশি পানি খান। পানি খেলে দেহ
হাইড্রেট থাকে। এতে স্বাস্থ্যবান চুল, ত্বক
পাওয়া যায় এবং শক্তি বৃদ্ধি পায়।

সময় মেনে মোবাইল ফোনটি বন্ধ করুন। বিশেষ
করে ঘুম বা বিশ্রামের সময় ফোন বন্ধ রাখাটা
নিশ্চিন্তে বিশ্রাম দিবে।

বই পড়ুন। জ্ঞান বাড়াতে বই পড়ার কোনো
বিকল্প নেই। তা ছাড়া দারুণ উপভোগ করতে
পারবেন সময়টা।

জোরে হাঁটুন। এতে মেদ ঝড়বে এবং লক্ষ্যেও
দ্রুত পৌঁছতে পারবেন।

সাদা রুটি বাদ দিয়ে গমের হালকা বাদামী
রঙের রুটি খাওয়ার অভ্যাস করুন। গমের ফাইবার
হজমে সহায়ক।

ত্বকে ময়েশ্চার ব্যবহার করুন। এতে ত্বক শুকনো
এবং ফ্যাকাশে হবে না।

ম্যাসাজ করুন। দেহের স্থিতিস্থাপকতা
বাড়াতে এবং সহিষ্ণুতা বাড়াতে ম্যাসাজ
কাজে দেয়।

প্রতিদিন কাজ বা খাওয়ার পর হাত দুটি
সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ভালো করে
মুছে ফেলুন বা শুকিয়ে নিন। এতে হাত
ব্যাকটেরিয়ামুক্ত থাকবে এবং রোগ ছড়াবে
না।

যদি প্রতিদিন পাবলিক যানবাহনে চলাচল
করে থাকেন, তবে যেখান থেকে বাসে ওঠেন
সেখান থেকে পরের স্টপেজ থেকে ওঠা শুরু করুন।
আর প্রতিদিন যেখানে নামেন তার আগের
স্টপেজে নেমে পড়ুন। উভয় ক্ষেত্রে আপনার
হাঁটার পরিমাণ বাড়বে যা স্বাস্থ্যকর। তা ছাড়া
বাসের ভাড়াও কমে যাবে।
সানস্ক্রিনসমৃদ্ধ প্রসাধন ব্যবহার করুন। বিশেষ
করে আমাদের গরমের তীব্র রোদে ত্বক কালো
হয়ে যাবে না।
[ইন্টারনেট হতে সংগ্রহীত] www.fb.com/tanbir.cox
আমার সব ই-বুক সরাসরি ফেইসবুক থেকে ডাউনলোড
করতে চাইলে ......
https://www.facebook.com/groups/tanbir.ebooks

সাধারন মানুষের জন্য দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত "আইন বিষয়ক" খুব গুরুত্বপূর্ণ ৬০ টি ইংরেজি শব্দের বাংলা অর্থ, উচ্চারন ,ব্যাখ্যা ও ব্যাবহার...

1) অর্ডিনান্স (Ordinance) ➟ গৃহনির্মাণ,
নিরাপত্তা, জোনিং ইত্যাদি বিষয়ক ব্যাপারে
যে-সব বিধি কর্পোরেশন, সরকার বা অন্যান্য
অধিকারিক সংস্থা জারী করে।
2) আপীল (Appeal) ➟ নিম্ন আদালতের রায়ের
পুনর্বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করা।
3) আরবিট্রেশন (Arbitration) ➟ বিবাদকারী দুই দলের
অনুমোদিত নির্দলীয় কোন তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে
কলহের বিচার - যার রায় বিবাদকারীরা
মানতে স্বীকৃত।
4) এলিবাই (Alibi) ➟ অপরাধ সংঘটিত হবার সময়
অভিযুক্তের অন্য কোথাও থাকার দাবী।
5) ইনটারলোকিউটরি (Interlocutory) ➟ অস্থায়ী,
অন্তর্বতী কালের জন্য।
6) উইল (Will) বা ইচ্ছাপত্র: কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার
ধনসম্পত্তি কি ভাবে বণ্টন করা হবে - সে বিষয়ে
তাঁর ইচ্ছাপত্র।
7) ইনটেস্টেট (Intestate) ➟ যে ব্যক্তি উইল বা
ইচ্ছাপত্র না লিখে মারা গেছে - তার
স্ট্যাটাস বা অবস্থা।
8) একস্ট্রাডিশান (Extradition) ➟ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে
একটি আইন-এলাকা (রাজ্য, রাষ্ট্র, ইত্যাদি)
থেকে অন্য আইন-এলাকায় হস্তান্তরিত করা।
9) এনট্র্যাপমেন্ট (Entrapment) ➟ কাউকে অন্যায়
কর্মে প্রণোদিত করা - যাতে তার বিরুদ্ধে
অভিযোগ আনা যায়।
10) এফ.আই.আর. (F.I.R.) ➟ এটি ফাস্র্ট ইন্ফরমেশন
রিপোর্ট-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। কোন অপরাধ সংঘটিত
হবার পর উত্পীড়িত ব্যক্তি বা অন্য কেউ সেই
সম্পর্কে থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে
অভিযোগ জানালে - অফিসারের দায়িত্ব
সেটিকে নথিভুক্ত করা। সেই লিখিত
রিপোর্টটি হল এফ.আই.আর। এর ভিত্তিতে
পুলিশের তার অনুসন্ধান শুরু করে।
11) এফিডেভিট (Affidevit) ➟ হলফপত্র বা শপথনামা:
শপথ দেওয়ানোর ক্ষমতা আছে এমন কোনও লোকের
সামনে স্বেচ্ছায় শপথপূর্বক লিখিত বিবৃতি
দাখিল করা।
12) এমবেজেলমেণ্ট (Embezzlement) বা তহবিল তছরুপ:
বিশ্বাসভরে কারোর গচ্ছিত অর্থ বা সম্পত্তি
নিজের জন্য আত্মসাত করা।
13) ওয়ারেণ্ট (Warrant) ➟ সাধারণ ভাবে কাউকে
আটক করা বা কোথাও তল্লাসী চালাবার জন্য
পুলিশকে দেওয়া আদালতের হুকুম। আদালতের
কাছে থেকে এই ওয়ারেণ্ট বার করার জন্য
পুলিশকে আটক বা তল্লাসী চালানোর
প্রয়োজনীয়তা তথ্য সহযোগে আদালতে পেশ
করতে হয়। fb.com/tanbir.cox
14) কনটেমপ্ট অফ কোর্ট (Contempt of Court) বা
আদালতের অবমাননা: ইচ্ছাকৃত ভাবে বিচারকের
আদেশ বা বিচার-বিভাগীয় হুকুম অমান্য করা।
15) কনভেয়্যান্স (Conveyance) ➟ কোনও জমির সত্ব এক
বা একাধিক লোকের হাত থেকে অন্য হাতে
যাওয়ার দলিল।
16) করপাস ডেলিকটি (Corpus delicti) ➟ যার ওপর
অপরাধ সংঘটিত হয়েছে - তার বস্তু-অবশেষ উদ্ধার
করা। যেমন, খুনের লাস বা পুড়িয়ে দেওয়া
বাড়ির দগ্ধাবেশেষ, ইত্যাদি।
17) কুইড প্রো কো (Quid pro quo) ➟ এই ল্যাটিন
শব্দটির অর্থ - 'কিসের জন্য কি' বা 'কিছুর জন্য
কিছু'। অর্থাত্, কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়।
কোন কণ্ট্র্যাক্ট পালন বাধ্যতামূলক হয় যখন দুই পক্ষের
মধ্যে মূল্যবান কোন বস্তুর আদান-প্রদান ঘটে।
সেইজন্য যখন কোনো কোম্পানী তাদের নতুন
তৈরী করা জিনিষ বাজারে বিক্রি করার
আগে পরীক্ষা করার জন্য লোকদের ব্যবহার করতে
দেয়, তখন তার জন্য সাধারণত টাকা নেয় না। এই
জন্য যে, সেই বস্তু কাজ না করলেও তার জন্য
ব্যবহারকারীদের আইনত কিছু করার থাকে না।
18) কোডিসিল (Codicil) ➟ উইল বা ইচ্ছাপত্রের
সংশোধন।
19) ক্যাপিটল ক্রাইম (Capital crime) ➟ যে অপরাধের
দণ্ড হল মৃত্যু।
20) ক্রিমিন্যাল ইনস্যানিটি (Criminal insanity) ➟
ভালো ও মন্দের তফাত্ বোঝার অক্ষমতা; কোনও
কিছু করার বা করা থেকে বিরত হবার মানসিক
অক্ষমতা। fb.com/tanbir.cox
21) ক্লাশ একশন (Class action) ➟ যে মামলা এক বা
একাধিক লোক একটি সমগ্র দলের হয়ে আদালতে
আনে।
22) জয়েণ্ট এণ্ড সেভারেল লায়াবিলিটি (Joint
and several liability) ➟ আইনের একটি ভাষা, যার অর্থ
দুর্ঘটনার জন্য কোন দল দায়ী হলে, সেই দলের
প্রত্যেকটি ব্যক্তি আলাদা ভাবে পুরো ক্ষতিপূরণ
দিতে বাধ্য থাকবে - যদি অন্য কেউ ক্ষতিপূরণ
দিতে অসমর্থ হয়।
23) জয়েন্ট টেনানসি(Joint tenancy) ➟ যুগ্মভাবে
সম্পত্তির মালিকানা (একে অনেক সময়ে
'সার্ভাইভারশিপ' বলা হয়)। এক্ষেত্রে একজন
মালিকের মৃত্যু হলে, অন্যজন সম্পাত্তির পুরো
মালিকানা পায়।
24) জাজমেণ্ট (Judgement) বা রায়: মামলায় দুই
পক্ষের বক্তব্য ও সাক্ষ্য প্রমাণ শোনার পর বিচারক
তাঁর যে সিদ্ধান্ত সরকারি ভাবে প্রকাশ করেন।
25) জুভেনাইল ডেলিনকোয়েন্সি (Juvenile
delinquency) ➟ বালক-বালিকাদের করা অপরাধ।
26) ডমিসাইল (Domicile) ➟ স্থায়ী বাসস্থান।
27) ডিফামেশন (Defamation) ➟ মানহানি।
28) ডিসকভারি (Discovery) ➟ মামলা শুরু হবার আগে
তার সম্পর্কিত ঘটনাসমূহ ও তথ্যাদি জানার
উপায়গুলি।
29) ডিসমিস্যাল (Dismissal) ➟ মামলার খারিজ।
30) নেগলিজেন্স (Negligence) ➟ সাধারণভাবে
একজন বিচারবুদ্ধি-সম্পন্ন পরিণামদর্শী লোক যে
সাবধনতা অবলম্বন করবে সেটা না করা।
31) নোটারি পাবলিক (Notary Public) ➟ সরকারী
কর্মচারী যার কাজ হল লোককে শপথ করানো,
স্ট্যাম্প পেপারে লিখিত কাগজে কেউ সই করার
পর সেটিতে সই করে তাকে প্রামাণিক করা,
ইত্যাদি।
32) পেটেণ্ট (Patent) ➟ উদ্ভাবকদের দেয় অধিকার -
যার বলে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাঁর উদ্ভাবন
বিনা অনুমতিতে অন্য কেউ তৈরী, ব্যবহার বা
বিক্রি করে লাভবান হতে পারে না।
33) প্লি (Plea) ➟ আদালতে ফৌজদারী মামলায়
অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজের স্বপক্ষে প্রথম উচ্চারিত
কথা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের উত্তরে সে
নিজেকে, 'দোষী' বা 'নির্দোষী' বলতে
পারবে। fb.com/tanbir.cox
34) প্লি বার্গেইনিং (Plea bargaining) ➟
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে
সরকারী পক্ষের একটা সমঝোতায় আসার জন্য
আলোচনা। এর উদ্দেশ্য দীর্ঘ-স্থায়ী মামলা (যার
ফল অনিশ্চিত) না চালিয়ে দুপক্ষেরই সময় ও
অর্থের সাশ্রয় করা। এর ফলে অভিযুক্ত ব্যক্তি
সাধারণত অপেক্ষাকৃত কম অপরাধের জন্য
নিজেকে দোষী বলে স্বীকার করে ও সরকার
তার অন্যান্য অপরাধের অভিযোগ ফিরিয়ে নেয়।
কিন্তু বিচারক এই সমঝোতা অগ্রাহ্য করে মামলা
চালাবার নির্দেশ দিতে পারেন।
35) পাওয়ার অফ এটোর্নি (Power of attorney) ➟ একটি
দলিল - যার ভিত্তিতে একজনের হয়ে দলিলে
উল্লেখিত বিভিন্ন কাজ অন্য কেউ করতে পারে।
36) প্রাইমা ফেসি (Prima Facie Evidence) ➟ যে
প্রমাণ অন্য কোন ভাবে খণ্ডিত না হলে ঘটনার
সত্যতা প্রতিষ্ঠা করার পক্ষে যথেষ্ঠ।
37) প্রাইমা ফেসি কেস (Prima Facie Case) ➟ যে
মামলা এতই সম্পূর্ণ যে বিচার-কার্যের জন্য ন্যুনতম
প্রমাণ দাখিলের প্রয়োজন হয়।
38) প্রোবেট (Probate) ➟ আদালতের যে কার্যবলীর
মাধ্যমে কোন ব্যক্তির ইচ্ছাপত্র (উইল) বৈধ বা
অবৈধ ধার্য করা হয়। সাধারণভাবে প্রোবেট
কথাটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহার করা হয় - ইচ্ছাপত্র-
সংক্রান্ত অন্যান্য কার্যগুলিকেও এর মধ্যে ধরা
হয়। যেমন, ধনসম্পত্তির একত্রিকরণ, ঋণ পরিশোধ,
সরকারি কর দেওয়া ও ইচ্ছাপত্র অনুসারে বিভিন্ন
ব্যক্তি ও সংস্থার মধ্যে সম্পত্তির বণ্টন।
39) প্রোবেট কোর্ট (Probate Court) ➟ যে আদালতের
তত্বাবধানে ধনসম্পত্তি-র ভাগ-বাটোয়ারা করা
হয়।
40) ফ্রড (Fraud) ➟ ধোঁকা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সত্য
ঘটনাকে মিথ্যা করে বলা।
41) ফ্রী অন এ পারসন্স ওউন রেকগনিজেন্স (Free on a
person's own recognizance) ➟ যখন জামিন বা মুচলেকা
ছাড়া সাময়িক ভাবে কাউকে মুক্তি দেওয়া হয়
তাঁর ব্যক্তিগত পরিচিতির জন্য এবং আদালতে
তিনি হাজিরা দেবেন এই প্রতিশ্রুতির
বিনিময়ে।
42) বেইল (Bail) বা জামিন: আদালতকে টাকা বা
মুচলেকা দিয়ে আটক ব্যক্তিকে স্বল্প-মেয়াদের
জন্য খালাস করানো এবং আদালতে আটক ব্যক্তির
হাজিরার ব্যাপারে নিশ্চয়তা দেওয়া। fb.com/
tanbir.cox
43) বেইল বন্ড (Bail Bond) ➟ অভিযুক্ত আদালতে
হাজির হবে বলে যে শপথপত্রে সই করে। সময়মত
হাজিরা না দিতে পারলে শপথপত্র অনুযায়ী
অভিযুক্তকে অর্থদণ্ড দিতে হয়।
44) এন্টিসিপেটরি (Anticipatory bail) ➟
এন্টিসিপেটরি বেইল হল আদালত প্রদত্ত নির্দেশ
যাতে বলা হয় ব্যক্তি বিশেষকে জামিন দিতে।
সেই ব্যক্তি গ্রেফ্তার হবার আগেই এই নির্দেশ
জারী করা হয়।
কোন ব্যক্তি যদি সন্দেহ করে যে, তাকে মিথ্যে
অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফ্তার করা হবে,
সেক্ষেত্রে সে আদালতের কাছে
এন্টিসিপেটরি বেইল-এর জন্য আবেদন করতে
পারে।
45) বাই-লস (By-laws) ➟ কোনও এসোসিয়েশন বা
কর্পোরেশন যে বিধি বা নিয়ম মেনে চলবে
বলে ঠিক করে।
46) মার্ডার (Murder) বা খুন: বে-আইনীভাবে
হত্যার জন্য মানুষের জীবনহানি করা। যদি খুনটি
পূর্ব-পরিকল্পিত হয়, তাহলে তাকে 'মার্ডার অফ দ্য
ফাস্র্ট ডিগ্রি' বলা হয়। যদি হঠাত্ মুহূর্তের
ইচ্ছাবশত খুন বা মরুক বাঁচুক তোয়াক্কা না করে
আঘাত করা হয় - তাহলে সেই খুনকে বলা হবে
'মার্ডার অফ দ্য সেকেণ্ড ডিগ্রি'।
47) মিটিগেটিং সারকামস্ট্যান্সেস (Mitigating
circumstances) : যে পারিপাশ্র্বিক অবস্থার
বিচারে অন্যায়ের ভার কিছুটা লাঘব হয়।
48) মিসট্রায়াল (Mistrial) ➟ কোন অপরিহার্য
বিষয়ে ত্রুটি ঘটায় যে মামলা খারিজ হয়।
49) ম্যালপ্রাক্টিস (Malpractice) ➟ পেশার কাজে
অবৈধ আচরণ।
50) রিট (Writ) ➟ রিট হল মানুষের মৌলিক
অধিকারের সুরক্ষা দানের জন্য সাংবিধানিক
আদেশ। রিট পাঁচ রকম: হেবিয়াস কর্পাস,
ম্যাণ্ডেমাস, প্রহিবিশন, কো ওয়ারেণ্টো এবং
সার্টিওযারি। সংবিধানের ৩২ নং অধ্যায়ের
ক্ষমতায় সুপ্রিম কোর্ট এবং ২২৬ নং অধ্যায়ের
ক্ষমতায় হাইকোর্ট রিট জারি করতে পারে।
51) লারসেনি (Larceny) ➟ মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে
বা ধোঁকা দিয়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা।
52) লায়াব্ল (Liable) : আইনত দায়ী।
53) সমন (Summon) ➟ সমন হল কোন ব্যক্তিকে কোন
নির্দিষ্ট দিনে ও নির্দিষ্ট সময় আদালতে
হাজিরা দেবার জন্য আদালত প্রদত্ত আদেশ।
54) সারকামস্ট্যানশিয়াল এভিডেন্স (Circumstantial
evidence) ➟ প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য ছাড়া অন্য যে-
কোন প্রমাণ (যেমন, আঙ্গুলের ছাপ পাওয়া - যা
থেকে কারোর উপস্থিতি সম্পর্কে একটা
সিদ্ধান্তে আসা যায়)
55) সার্টিওরারি (Certiorari) ➟ উচ্চ আদালতকে
দিয়ে নিম্ন আদালতের রায়ের পুনর্বিচারের
চেষ্টা।
56) স্ট্যাচুট অফ লিমিটেশন (Statute of Limitation) ➟ এই
সংবিধি অনুসারে - যে-ঘটনার জন্য মামলার প্রশ্ন
উঠছে, সেটি ঘটে যাবার পর একটি নির্দিষ্ট সময়
অতিক্রান্ত হলে বাদীর মামলা আনার কোন
অধিকার থাকে না।
57) হস্টাইল উইটনেস (Hostile witness) বা সাক্ষী-
বিপরীত: যে সাক্ষীর বিবৃতি যে-পক্ষ তাকে
সাক্ষী দেওয়াতে আনছে তাদের বিপক্ষে যায়।
58) হিয়ারসে (Hearsay) বা জনশ্রুতি, কানাঘুষো:
কোনও সাক্ষীর বিবৃতি যে, আসল ঘটনা নিজে
ঘটতে দেখে নি, কিন্তু অন্যের কাছ থেকে
শুনেছে। হিয়ারসে আদালতে সাধারণ ভাবে
গ্রাহ্য করা হয় না।fb.com/tanbir.cox
59) হেবিয়াস কর্পাস (Habeas corpus) ➟ কোন ব্যক্তি
যদি মনে করে তাকে অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ
করে রাখা হয়েছে, তাহলে সে হেবিয়াস
কর্পাস-এর জন্য আবেদন করতে পারে। সেই আবেদন
গ্রাহ্য হলে আদালত কারাগার-কর্তৃপক্ষকে হুকুম
(রিট অফ হেবিয়াস কর্পাস) দেবে কয়েদীকে
আদালতে নিয়ে আসতে - যাতে আদালত বিচার
করে দেখতে পারে যে, তাকে অন্যায়ভাবে
কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে কিনা। হেবিয়াস
কর্পাস-এর জন্য আবেদন কারারুদ্ধ ব্যক্তি নিজে
অথবা অন্য কেউ তার জন্য করতে পারে। এই
আবেদনে দেখাতে হবে যে, আদালত কারারুদ্ধ
ব্যক্তিকে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে বা আইনের
অপপ্রয়োগ করে কারাদণ্ড দিয়েছে। অনেক সময়ে
কোন বিচারক কাউকে আদালত-অবমাননার দায়ে
জেলে পাঠাতে চাইলে, সেই ব্যক্তি হেবিয়াস
কর্পাস-এর জন্য আবেদন জানাতে পারে।
60) ম্যাণ্ডেমাস (Mandamus) ➟ ল্যাটিন অর্থ 'আমরা
হুকুম দিচ্ছি'। বস্তুত এটি কোনও সরকারি
সংস্থাকে দেওয়া একটি আদেশ। সরকারি
সংস্থা যখন আইন অনুসারে কোনও কাজ করায়
গাফিলতি করছে, তখন তাকে আইন অনুযায়ী কাজ
করার নিষেধাজ্ঞা দেওয়া।
61) রিট অফ সার্টিওরারি (Writ of certiorari) ➟ সুপ্রিম
কোর্টের নিম্ন আদালত থেকে আসা আপীল
শুনানী করার সিদ্ধান্ত।
62) কো ওয়ারাণ্টো (quo warranto) ➟ কথাটির
ল্যাটিন অর্থ 'কোন ওয়ারেণ্টের বলে?'। এটি
যাঁকে পাঠানো হয় তাঁর কাছে জানতে চাওয়া
তিনি যে কাজ করার অধিকার আছে বলে দাবী
করছেন, সেই অধিকার কোথা থেকে তাঁর উপর
বর্তেছে|
63) রিট অফ প্রহিবিশন (Writ of Prohibition) ➟ উচ্চ
আদালত (সাধারণতঃ সুপ্রিম কোর্ট) থেকে নিম্ন
আদালতের উপর হুকুম যে, মামলার ব্যাপারে কোনও
সিদ্ধান্ত না নেওয়া - কারণ সেই মামলা নিম্ন
আদালতের এক্তিয়ার বহির্ভূত।
[ইন্টারনেট হতে সংগ্রহীত] www.fb.com/tanbir.cox
আমার সব ই-বুক সরাসরি ফেইসবুক থেকে ডাউনলোড
করতে চাইলে ......
https://www.facebook.com/groups/tanbir.ebooks