জমি রেজিস্ট্রেশনেরবাংলাদেশে প্রযোজ্য সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন ২০০৪ এর ৫৪এ ধারা অনুসারে অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি হবে লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (সংশোধন) আইন ২০০৪ এর ২১এ ধারার বিধান অনুসারে আদালতের মাধ্যমে চুক্তি বলবতের দুই শর্ত হলোঃ
লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত বায়না ব্যতীত চুক্তি প্রবলের মামলা আদালতের মাধ্যমে বলবৎ করা যাবে না।
বায়নার অবশিষ্ট টাকা আদালতে জমা না করলে মামলা দায়ের করা যাবে না।
রেজিস্ট্রেশনের সময় যে সকল কাগজপত্র প্রদান করতে হয়:
দলিল রেজিস্ট্রারিং অফিসার এ আইনে নতুন সংযোজিত ৫২এ ধারার বিধান অনুসারে বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপিত কোন দলিল রেজিস্ট্রি করা হয় না যদি দলিলের সাথে নিচের কাগজগুলো সংযুক্ত থাকে:
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর বিধান অনুসারে প্রস্তুতকৃত সম্পত্তির সর্বশেষ খতিয়ান, বিক্রেতার নাম যদি তিনি উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্যভাবে সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকেন।
প্রজাস্বত্ব আইনের বিধান অনুসারে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ান, বিক্রেতার নাম বা বিক্রেতার পূর্বসূরীর নাম যদি তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে ঐ সম্পত্তি পেয়ে থাকেন।
সম্পত্তির প্রকৃতি।
সম্পত্তির মূল্য।
চতুর্সীমা সহ সম্পত্তির নকশা।
বিগত ২৫ বৎসরের মালিকানা সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
দাতা কর্তৃক এ মর্মে একটি হলফনামা (Affidavit) সম্পাদন করতে হবে যে তিনি উক্ত সম্পত্তি ইতোপূর্বে কারো নিকট বিক্রি করেননি এবং তিনিই দলিলে উল্লেখিত সম্পত্তির মালিক (He has Lawful Title)।
বিক্রয় বা সাফ কবলা দলিলের রেজিষ্ট্রেশন ব্যয় নিম্নরূপ:
২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে পৌর এলাকা ভুক্ত এলাকার জন্য:
ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প (সম্পত্তির মূল্যের)
৩.০%
সরকারী রেজি: ফি (যা রেজিষ্ট্রি অফিসে নগদ জমা দিতে হয়)
২.০%
স্থানীয় সরকার ফি (যা রেজিষ্ট্রি নগদ জমা দিতে হয়)
১.০ %
উৎস কর (এক লক্ষ টাকার উপরের জন্য প্রযোজ্য)
২.০%
গেইন ট্যাক্স ( পৌর/ সিটি কর্পোরেসনে জমা দিতে হয়)
১.০ %
মোট =
৯.০%
পৌর এলাকা বা সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত/ ইউনিয়ন পরিষদভুক্ত এলাকার জন্য:
ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প (সম্পত্তির মূল্যের)
২.০ %
সরকারী রেজি: ফি (যা রেজিষ্ট্রি অফিসে নগদ জমা দিতে হয়)
২.০ %
স্থানীয় সরকার ফি (যা রেজিষ্ট্রি নগদ জমা দিতে হয়)
১.০ %
উৎস কর (এক লক্ষ টাকার উপরের জন্য প্রযোজ্য)
১.০ %
মোট =
৬.০%
এছাড়াও প্রতিটি দলিল রেজিষ্ট্রির সময় ৫০/= (পঞ্চাশ) টাকা মূল্যের ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে হলফনামা ও একটি নোটিশ সংযুক্ত করতে হয়। উক্ত নোটিশে ১/= টাকা মূল্যের কোর্ট ফি সংযুক্ত হয়। দলিল রেজিষ্ট্রি করতে ১৫০ টাকার ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে দলিল সম্পাদন করতে হয় এবং ষ্ট্যাম্পের বাদবাকী মূল্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে চালান করে, চালানের কপি সংযুক্ত করতে হয়।
দলিলের সার্টিফাইড কপি উত্তোলনের ক্ষেত্রে সরকারী ফি নিম্নরূপ:
ষ্ট্যাম্প বাবদ
২০ টাকা
কোর্ট ফি
৪ টাকা
মোট=
২৪ টাকা
লেখনী বাবদ দলিলের প্রতি ১০০ শব্দ বা অংশ বিশেষের জন্য বাংলার জন্য
৩ টাকা
প্রতি ১০০ ইংরেজী শব্দ বা অংশ বিশেষের জন্য
৫ টাকা
জরুরী নকলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত
২০ টাকা
উক্ত নকল চার পৃষ্ঠার বেশি হলে প্রতি পৃষ্ঠার জন্য
৫ টাকা
দান দলিল রেজিস্ট্রেশন এর নিয়ম:
রেজিস্ট্রেশন (সংশোধন) আইন ২০০৪ এ নতুন সংযোজিত ৭৮এ ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির দানপত্র দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হয়। দান দলিল রেজিস্ট্রেশন ফি নিম্নরূপ:
স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা-সন্তান, দাদা-দাদী ও নাতি-নাতনী, সহোদর ভাই-ভাই, সহোদর বো-বোন এবং সহোদর ভাই ও সহোদর বোনের মধ্যে যে কোনো স্থাবর সম্পত্তির দানপত্র দলিল রেজিস্ট্রি ফি ১০০ টাকা।
উল্লিখিত সম্পর্কের বাইরের ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সম্পাদিত দানপত্র দলিল রেজিস্ট্রির ফি হবে কবলা দলিল রেজিস্ট্রির জন্য প্রযোজ্য ফি’র অনুরূপ।
জীবন স্বত্ত্বে দান দলিল রেজিস্ট্রেশন ফিঃ
স্প্যাম্প এ্যাক্ট ১৯০৮ এর ৫৮ নং আর্টিক্যাল অনুসারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান (মুসলিম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান) এর জন্য জীবন স্বত্ত্বে দানের বিধান হলো – যে প্রতিষ্ঠানের নামে সম্পত্তি দান করা হবে সে প্রতিষ্ঠান ঐ সম্পত্তি শুধু ভোগ-দখল করতে পারবে, সম্পত্তি কোনরূপ হস্তান্তর করতে পারবে না। এরূপ জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে দানকারীর নামে। কোন কারণে ঐ প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর না থাকলে সম্পত্তি দানকারীর মালিকানায় চলে যাবে এবং দান দলিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
স্ট্যাম্প ফি
২%
রেজিস্ট্রেশন ফি
২.৫%
ই ফিস
প্রযোজ্য
Wednesday, December 23, 2015
Tuesday, December 22, 2015
২১ পদ মজাদার ভর্তার রেসিপি শিখে নিন !
২১ পদ মজাদার ভর্তার রেসিপি শিখে নিন !
০১। আলু ভর্তা:
আলু আধা কেজি সিদ্ধ করে চটকে নিন। এবার
পাত্রে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে শুকনা
মরিচ ভেজে পেঁয়াজ কুঁচি দিন। পেঁয়াজ
বাদামী রং হলে পেঁয়াজ মরিচ লবণ দিয়ে
চটকে আলু দিন এবার ধনেপাতা কুঁচি দিয়ে
মেখে ভর্তা বানিয়ে নিন।
০২। বেগুন ভর্তা:
উপকরণ: বড় গোলবেগুন ১টি, সরিষা বাটা ১ চা
চামচ, নারকেল মিহি বাটা ২ চা চামচ,
টমেটো কুঁচি১ কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি আধা কাপ,
মেথি আধা কাপ, রাধুনী সরিষার তেল ২
টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল
চামচ, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালী: বেগুনের গায়ে তেল মাখিয়ে
পুড়িয়ে নিন। এবার পানিতে রেখে খোসা
ছাড়িয়ে মেখে নিন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে
মেথি ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি দিন।
পেঁয়াজ একটু নরম হলে টমেটো সরিষা,
নারকেল, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ
নেড়ে বেগুন দিন। কড়াইয়ের তলা ছেড়ে
এলে এবং একটু আঠালো হলে নামিয়ে
নিতে হবে।
০৩। মসুর ডালের ভর্তা:
উপকরণ: মসুর ডাল ১ কাপ, পানি ৩ থেকে
সাড়ে ৩ কাপ, রসুন কুঁচি আধা চামচ, পেঁয়াজ
কুচি ১ চা চামচ, লবণ আধা চা চামচ,
কাঁচামরিচ ফালি ২টি, তেল ১ চা চামচ।
প্রণালী: সব উপকরণ দিয়ে ডাল সিদ্ধ করতে
হবে। ঘন থকথকে হলে নামাতে হবে।
০৪। টমেটো ভর্তা:
উপকরণ: ছোট টমেটো ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ
মিহি কুঁচি ১ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ ২টা,
ধনেপাতা কুঁচি ২ টেবিল চামচ, লবণ
পরিমাণমতো, চিনি ১ চা চামচ, সরষের তেল
১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ।
প্রণালী: শুকনা মরিচ তাওয়ায় টেলে
বিচিসহ গুঁড়ো করে নিতে হবে। টমেটোর
গায়ে তেল লাগিয়ে তাওয়ার ওপর ঢাকনা
দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে চুলায় তুলে সব
দিক সমানভাবে পুড়িয়ে নিতে হবে।
ঠাণ্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে চটকে
পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ, তেল, চিনি, লেবুর রস,
ধনেপাতা দিয়ে মেখে ভর্তা করতে হবে।
০৫। টাকি মাছের ভর্তা:
উপকরন: টাকিমাছ ১ কাপ,পেঁয়াজ,স্লাইস ৩
টে.চা ,আদা,রসুন,বাটা ১ চা. চা,পেঁয়াজ
পাতা ২ টে. চা ,জিরা,বাটা ১ চা.
চা,রসুন,ছেঁচা ২ টে. চা,ধনে,বাটা ১ চা. চা
,লবণ,স্বাদ অনুযায়ী,হলুদ,বাটা ১/২ চা. চা
,মরিচ,বাটা ১ /২ চা. চা
প্রনালী: মাছ সিদ্ধ করে কাটা বেছে ১
কাপ মেপে নাও।,তেলে পেঁয়াজ দিয়ে
হালকা বাদামী রং করে ভেজে বাটা
মসলা ও সামান্য পানি এবং রসুন দিয়ে
কষাও। কষানো হলে পেয়াজপাতাসহ কচি
পেঁয়াজ দিয়ে নাড়। মাছ দিয়ে নেড়ে
নেড়ে ভাজ। লবণ দাও। মাছ হালুয়ার মতো
তাল বাঁধলে নামাও। মাছ যেন ঝুরি এবং
শুকনা না হয়।এর পর আপনি চাইলে হাত দিয়ে
গোল গোল বল বানিয়ে পরিবেশন করুন
মজাদার টাকি মাছের ভাজা ভর্তা।
০৬। কালিজিরা ভর্তা:
উপকরণ: কালিজিরার আধা কাপ, রসুনের
কোয়া ২ টেবিল-চামচ, কাঁচামরিচ ৮টি,
পেঁয়াজ কুঁচি ৪ টেবিল-চামচ, লবণ
পরিমাণমতো, সরিষার তেল ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালী: রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ
কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। তেল বাদে
সব উপকরণ পাটায় বেটে তেল দিয়ে মেখে
ভর্তা করুন।
০৭। আলু ডিম ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: ডিম ২টি, আলু ১টি (মাঝারি
সাইজের), কাঁচামরিচ কুঁচি ১ চা চামচ,
পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুঁচি
১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: আলু এবং ডিম সেদ্ধ করে নিন।
খোসা ছাড়িয়ে আলু এবং ডিম
আলাদাভাবে চটকে নিন। এবার পেঁয়াজ
কুচি, লবণ এবং আধা চা চামচ সরিষার তেল
দিয়ে ডিম ও আলু ভালোভাবে মেখে ভর্তা
তৈরি করুন।
০৮। পালংশাক ভর্তা:
উপকরনঃ পালংশাক ২০০ গ্রাম , কাঁচা মরিচ/
শুকনা মরিচ ভাজা ৫ থেকে ৬ টি পেয়াজ
কুচি ২ টেবিল চামচ। লবণ ও সরিষার তেল -
নিজের পছন্দ মত।
প্রনালীঃ প্রথমে পালংশাক ভাল করে ধুয়ে
বড় করে কেটে যে কোন পাত্রে সিদ্ধ করে
নিন। শাক সিদ্ধ হয়ে গেলে পেয়াজ কুচি,
মরিচ ও লবণ হাত দিয়ে চেটকিয়ে মিহি করুন।
তারপর সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে
পরিবেশন করুন। শীতের দিনে গরম গরম ভাতের
সাথে শাক ভর্তা অনেক সুস্বাদু লাগে।
০৯। লাউশাক ভর্তা:
উপকরণ: লাউয়ের পাতা ৬-৭টা, নারকেল
কুড়ানো ৪ চা চামচ, সরিষা ২ চা চামচ, সেদ্ধ
কাঁচামরিচ ২টা, প্রয়োজনমতো লবণ।
প্রণালী: লাউশাক ভালো করে ধুয়ে সেদ্ধ
করুন। শাকের সাথে কাঁচামরিচও সেদ্ধ করুন।
শাক সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার
নারকেল কুড়ানো, সরিষা, লবণ, সেদ্ধ করা
শাক ও কাঁচামরিচসহ পাটায় পানি ছাড়া
বেটে ভর্তা তৈরি করুন।
১০। কাচকি মাছ ভর্তা
উপকরণ: কাচকি মাছ এক কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি ১
টেবিল চামচ, রসুন কুচি ২ চা চামচ,
কাঁচামরিচ ৪টি, ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল
চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: কাচকি মাছ ভালো করে ধুয়ে
পানি ঝরিয়ে রাখুন। কাচকি মাছ, পেঁয়াজ
কুঁচি, রসুন কুঁচি, কাঁচামরিচ অল্প তেলে
কড়াইতে হালকাভাবে ভাজুন। ভাজা হলে
লবণ ও ধনেপাতা দিয়ে পাটায় বেটে ভর্তা
তৈরি করুন।
১১। করল্লার ভর্তা
করল্লা ধুয়ে খুব মিহি করে কুঁচি করে নিন।
এবার করল্লা কুচি চটকে নিয়ে পেঁয়াজ,
কাচা মরিচ, লবন এবং তেল দিয়ে ভর্তা
তৈরি করুন।
১২। ছুরি শুঁটকি ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: ছুরি শুঁটকি ছোট করে কাটা আধা
কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি ২ কাপ, শুকনা মরিচের গুঁড়া
২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি
আধা চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, তেল
আধা কাপ, আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন
বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদ
গুঁড়া ১ চা চামচ, তেজপাতা ১টি, কাঁচামরিচ
চার টুকরা করে কাটা ৬টি।
প্রণালী: শুঁটকি ভালো করে ধুয়ে সিদ্ধ করে
বেটে নিতে হবে। তেল গরম করে আদা-রসুন
দিয়ে ভালো করে ভুনে শুঁটকি দিয়ে ভুনতে
হবে। হলুদ, ধনে, মরিচের গুঁড়া, তেজপাতা, লবণ
দিয়ে মাঝারি আঁচে ৮-১০ মিনিট ভুনে
পেঁয়াজ দিয়ে ভুনতে হবে। পেঁয়াজ নরম হয়ে
এলে চিনি, লেবুর রস, কাঁচামরিচ দিয়ে
কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে।
১৩। ধনেপাতার চাটনি:
উপকরণ: টাটকা ধনেপাতা বড় ২ আঁটি, রসুন ২
কোয়া, তেঁতুল ১ টেবিল চামচ। কাঁচামরিচ
১টি, চিনি, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালী: ধনেপাতার কচি ডগা ও পাতা
বেছে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। ধনেপাতা,
রসুন, কাঁচামরিচ, তেঁতুল, লবণ ও চিনি সব
একসঙ্গে মিশিয়ে মিহি করে কেটে নিন।
সামান্য ঝাল, মিষ্টি ও টকটক স্বাদ হবে।
১৪। সরিষা ভর্তা:
উপরকণ: লাল সরিষা ৪ টেবিল চামচ,
কাঁচামরিচ ১টি, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: সরিষা ভালো করে বেছে ধুয়ে
কাঁচামরিচ এবং লবণ দিয়ে শিলপাটায়
বেটে নিন।
১৫। কাঁচকলা ও ইলিশ মাছের ভর্তা:
উপকরণ : কাঁচকলা ২টি (মাঝারি), ভাজা
ইলিশ মাছ ২ টুকরা (কাঁটা ছাড়ানো), শুকনো
মরিচ ভাজা ২টি, কাঁচামরিচ কুচি ২টি,
পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, সরিষার তেল ২
চা চামচ, লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালি : কাঁচকলা ডুবো পানিতে সেদ্ধ
করুন। কলার খোসা ছাড়িয়ে চটকে রাখুন।
এবার ইলিশ মাছ, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, লবণ ও
তেল একসঙ্গে মাখুন। মাখা হলে কাঁচকলা
দিয়ে ভালো করে মেখে গরম গরম পরিবেশন
করুন।
১৬। কচু নারকেল ভর্তা:
উপকরণ : কচু কিমা ১ কাপ, নারকেল বাটা
আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,
শুকনো মরিচ ভাজা ৩-৪টি, সরিষার তেল ১
টেবিল চামচ, পুদিনাপাতা কুচি অল্প
পরিমাণ, লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালি : প্রথমে এক টুকরো কচুকে পুড়িয়ে বা
সেদ্ধ করে ভালো করে মাখিয়ে কিমা
তৈরি করুন। একটি ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে
তাতে পেঁয়াজ কুচি, শুকনা মরিচ কুচি দিয়ে
বাদামি করে ভেজে তাতে কচু কিমা ও
নারকেল বাটা দিয়ে নামিয়ে নিন। এবার
পুদিনাপাতা কুচি ও লবণ দিয়ে
ভালোভাবে মাখিয়ে গরম ভাতে
পরিবেশন করুন মুখরোচক কচু নারকেল ভর্তা।
১৭। থানকুনি পাতার ভর্তা:
উপকরণ : থানকুনি পাতা ১ কাপ, কাঁচামরিচ
২টি, রসুনের কোয়া ২টি, লবণ স্বাদ মতো, তিল
২ টেবিল চামচ, কালিজিরা ১ চা চামচ।
প্রণালি : সব একসঙ্গে বেটে (সব পাতা ধুয়ে
পানি মুছে নিতে হবে) ভর্তা তৈরি করতে
হবে। এরপর গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
১৮। পেঁয়াজ পাতা ভর্তা:
উপকরণ: ১ ইঞ্চি লম্বা করে কাটা পেঁয়াজ
পাতা ২ কাপ,সরিষার তেল ১ টেবিল
চামচ,পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,শুকনামরিচ
২টি,কাশুন্দি ১ চা চামচ,লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: ফ্রাই প্যান অথবা কড়াইতে তেল
গরম করে পেঁয়াজ পাতা ছেড়ে দিয়ে অল্প
আঁচে ২-৩ মিনিট নাড়ুন। পেঁয়াজপাতা নরম
হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এবার শুকনামরিচ,
পেঁয়াজ কুচি ও লবণ ভালোভাবে ডলে
পেঁয়াজ পাতা ও কাশুন্দি দিয়ে
হালকাভাবে মেখে ভর্তা তৈরি করুন। গরম
ভাতের সাথে এই ভর্তা খেতে মজা ।
১৯। লাউ এর সিলকা ভর্তা :
উপকরণ: লাউ এর সিলকা-৩ কাপ, শুকনা মরিচ
পোড়ানো-৪/৫টি, লবণ-পরিমাণ মতো, ধনে
পাতা-সিকি কাপ, পিঁয়াজ কুচি-সিকি
কাপ, সরিষার তেল-২ টেঃ চামচ।
প্রণালী: লাউ-এর সিলকা ধুয়ে পানি দিয়ে
সিদ্ধ করে নিন। এবার তেলের মধ্যে লাউ এর
সিলকা ভেজে নিন। শুকনা মরিচ ভেজে
নিন, পিঁয়াজ ভেজে নিন। ধনে পাতা কুচি
করে নিন। এবার লাউ এর সিলকা, শুকনা মরিচ,
পিঁয়াজ কুচি, ধনে পাতা কুচি সব এক সাথে
পাটায় মিহি করে বেটে নিন। হয়ে গেল
লাউ এর সিলকা ভর্তা।
২০। চিনাবাদাম ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: চিনাবাদাম ভাজা (খোসা ছাড়া)
১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ
৪-৫টি, ধনেপাতা কুচি ১ আঁটি, সরিষার তেল
১ টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালি: কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে
নিতে হবে। বাদামের লাল খোসা ঘষে
তুলে ফেলে, পাটায় বেটে নিতে হবে।
কাঁচামরিচ বেটে নিতে হবে। এবার
তেলের সঙ্গে পেঁয়াজ, লবণ, ধনেপাতা কুচি
চটকে বাদাম ও কাঁচামরিচ বাটা দিয়ে
মাখাতে হবে।গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন
করা যায়।
২১। মিষ্টি কুমড়ার ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: মিষ্টি কুমড়া ২ কাপ, লবণ
পরিমাণমতো, পানি ১ কাপ, ধনেপাতা কুঁচি,
২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল
চামচ, পেঁয়াজ কুঁচি ৪/১ কাপ।
প্রণালী: মিষ্টি কুমড়া খোসা ছাড়িয়ে
কেটে ধুয়ে পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন।
এবার সিদ্ধ করা মিষ্টি কুমড়ার সঙ্গে সব
উপকরণ খুব ভালো করে মেখে নিন। হয়ে গেল
মজাদার মিষ্টি কুমড়ার ভর্তা।
Saturday, December 12, 2015
দৈনন্দিন জীবনে খুব উপকারি ৩০ টি টিপস... প্রাত্যাহিত জীবনযাপনে ছোট ছোট কিছু পরামর্শ বা টিপস
জেনে নিন এমন ৩০ টি ছোট ছোট টিপস যা
অভ্যাস করে ফেললে আপনি আরো স্বাস্থ্যকর এবং
ফুরফুরে জীবন কাটাতে পারবেন।
1.আমাদের অনেক সময় গ্যাস এর সমস্যা হতে
পারে। যদি কারও এই সমস্যা হয় বা খাবার হজম
হতে না চায় তবে ১ গ্লাস পানির সাথে একটু লবণ
ও একটু চিনি মিশিয়ে খেয়ে নিবেন। এটি খুব দ্রুত
খাবার হজম করতে সাহায্য করবে।
2.তেজপাতা খুবই সামান্য একটা মশলা জাতীয়
খাবার। কিন্তু এর রস খুবই উপকারী। মাইগ্রেন এর
ব্যথা তাছাড়া কোথাও আগুনে পুড়ে গেলে
তেজপাতার রস ব্যথা উপশমে কাজ করে থাকে।
তেজপাতাতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন
সি, খনিজ উপাদান, এবং ফলিক এসিড।
3.প্রতিদিন দুই কয়া রসুন খেতে পারলে শরীরের
জন্য তা খুব ভাল ।রসুন ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে।
কৃমি থেকে পরিত্রাণ পেতে সাহায্য করে।
এছাড়াও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও
কোলেস্টেরল কমাতে ও ফাঙ্গাস দূর করতে
সাহায্য করে। ঠাণ্ডা কাশির প্রবনতা কমায়।
4.সবুজ শাক সবজি খুব উপকারী চুল এবং ত্বকের
জন্য। পালং শাক এবং ফুলকপিতে আছে প্রচুর
পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই,যা
আপনার স্কাল্প ভালো রাখে এবং চুল এর গোঁড়া
মজবুত করে। সেই সাথে ত্বক এর লাবণ্য ধরে
রাখতেও সবুজ সবজি খুবই উপাদেয়।
5.অনেকেই ভাবেন বেশি ভাত খেলে মোটা
হওয়ার প্রবণতা থাকে। অনেকেই আবার ডায়েট
থেকে একেবারেই ভাত বাদ দিয়ে দেন। এ দুটোই
ভুল ধারণা। Complex carbohydrate জাতীয় খাবার
হওয়ায় ভাত সহজেই হজম হয়। ১০০ গ্রাম ভাতে আছে
১০০ ক্যালরি। পরোটা ও রুটির তুলনায় ভাতই
ভালো। তবে ওজন, উচ্চতা ও বয়স অনুযায়ী ভাতের
পরিমাণের রকমফের হবে। ফ্যাট এর পরিমাণ
ভাতে খুব কম মাত্র ০.৪ গ্রাম। আটার রুটির প্রায়
সমান ক্যালরি ভাতে। ভাতে Niacin, vitamin-D,
calcium, fiber, thiamin ও Riboflavin যথেষ্ট পরিমাণে
রয়েছে। ভাতে Cholesterol ও Sodium নেই। তাই
Hypertension এ যারা ভুগছেন তারা ভাত খেতে
পারেন। পেটের সমস্যা থাকলে ভাত খান। কারণ
ভাতে Gluten নাই।
6.মাইগ্রেন এর ব্যথার সাথে ডায়েট এর সম্পর্ক
আছে। একটু সঠিক নিয়মে খাবার গ্রহণ করলেই এই
ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যাদের
মাইগ্রেন এর সমস্যা আছে তারা যখন বাইরে
যাবেন তখন বাসায় করা স্যলাইন, পানির সাথে
একটু চিনি অথবা মধু, একটু লবণ, মিশিয়ে খেয়ে
যাবেন এবং এসে আরও ১ গ্লাস খাবেন। এতে
অনেক উপকার পাবেন। তাছাড়া কখনো খালি
পেটে থাকবেন না। খালি পেটে থাকলে ব্যথা
আরও বেড়ে যায়।
লাল রঙ এর সবজি খেয়েও অনেক
উপকার পাবেন। যেমন গাজর, টমেটো ইত্যাদি।
শরীরটা চাঙ্গা করতে চা খাওয়ার অভ্যাস
তো সবারই আছে। এবার চা ছেড়ে ব্ল্যাক কফি
খাওয়ার অভ্যাস করুন।
দুধ, ক্রিম, চিনি এবং
অন্যান্য ফ্লেভার ছাড়া ব্ল্যাক কফি খেতে
পারলে ক্যালরিসমৃদ্ধ পানীয় পেয়ে যাবেন।
দাঁত মাজার সময় এক পায়ে দাঁড়িয়ে কাজটি
করুন। এটা যোগ ব্যায়ামের মতো। এতে আপনার
দৈহিক ভারসাম্য বাড়বে।
স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের জন্য অ্যাভোকাডো খুব
উপকারী খাবার। খাবারে মাখন বা পনির বাদ
দিয়ে এই বস্তুটি ছড়িয়ে নিন।
. প্রতিদিন বেশ কিছু সময় তো অলস বসে থাকা
হয়। এটি বাদ দিয়ে মাত্র মিনিট বিশেকের জন্য
মেডিটেশন করে নিন। বহু কাজের চাপে আসা
ক্লান্তভাব চলে যাবে।
ক্যান্ডির পরিবর্তে ফল খাওয়ার অভ্যাস করুন।
ক্যান্ডি আসলে উচ্চমাত্রার ফ্রুকটোজ সিরাপ যা
মিষ্টি স্বাদ দেয়। অন্যদিকে, ফলের মিষ্টি
স্বাদে থাকে প্রাকৃতিক চিনি। আবার এতে আঁশ
ও ভিটামিনও পাওয়া যায়।
রান্না শিখুন। এতে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে
পারবেন। আবার রান্ন শেখার মতো সৃষ্টিশীল
কাজও উপভোগ করতে পারবেন।
লক্ষ্যের চেয়ে একটু সামনে এগিয়ে যান বা
একটু ঘুরপথে লক্ষ্যে পৌঁছান। এতে শারীরিক
সক্ষমতা বাড়বে।
ভবনে উঠতে এলিভেটরের পরিবর্তে সিঁড়ি
ব্যবহার করুন। এতে শক্তি ও উদ্যোম বাড়বে। পায়ের
পেশী দৃঢ় হবে।
ক্ষুধা নিয়ে খাবার কিনুন। এতে ভালো
মানের খাবার কেনার জন্য মন সাঁয় দেয়। দেখা
গেছে, কিছু খেয়ে খাবার কিনতে গেলে
অপেক্ষাকৃত অকাজের খাবার বেশি কেনা হয়।
বেশি পানি খান। পানি খেলে দেহ
হাইড্রেট থাকে। এতে স্বাস্থ্যবান চুল, ত্বক
পাওয়া যায় এবং শক্তি বৃদ্ধি পায়।
সময় মেনে মোবাইল ফোনটি বন্ধ করুন। বিশেষ
করে ঘুম বা বিশ্রামের সময় ফোন বন্ধ রাখাটা
নিশ্চিন্তে বিশ্রাম দিবে।
বই পড়ুন। জ্ঞান বাড়াতে বই পড়ার কোনো
বিকল্প নেই। তা ছাড়া দারুণ উপভোগ করতে
পারবেন সময়টা।
জোরে হাঁটুন। এতে মেদ ঝড়বে এবং লক্ষ্যেও
দ্রুত পৌঁছতে পারবেন।
সাদা রুটি বাদ দিয়ে গমের হালকা বাদামী
রঙের রুটি খাওয়ার অভ্যাস করুন। গমের ফাইবার
হজমে সহায়ক।
ত্বকে ময়েশ্চার ব্যবহার করুন। এতে ত্বক শুকনো
এবং ফ্যাকাশে হবে না।
ম্যাসাজ করুন। দেহের স্থিতিস্থাপকতা
বাড়াতে এবং সহিষ্ণুতা বাড়াতে ম্যাসাজ
কাজে দেয়।
প্রতিদিন কাজ বা খাওয়ার পর হাত দুটি
সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ভালো করে
মুছে ফেলুন বা শুকিয়ে নিন। এতে হাত
ব্যাকটেরিয়ামুক্ত থাকবে এবং রোগ ছড়াবে
না।
যদি প্রতিদিন পাবলিক যানবাহনে চলাচল
করে থাকেন, তবে যেখান থেকে বাসে ওঠেন
সেখান থেকে পরের স্টপেজ থেকে ওঠা শুরু করুন।
আর প্রতিদিন যেখানে নামেন তার আগের
স্টপেজে নেমে পড়ুন। উভয় ক্ষেত্রে আপনার
হাঁটার পরিমাণ বাড়বে যা স্বাস্থ্যকর। তা ছাড়া
বাসের ভাড়াও কমে যাবে।
সানস্ক্রিনসমৃদ্ধ প্রসাধন ব্যবহার করুন। বিশেষ
করে আমাদের গরমের তীব্র রোদে ত্বক কালো
হয়ে যাবে না।
[ইন্টারনেট হতে সংগ্রহীত] www.fb.com/tanbir.cox
আমার সব ই-বুক সরাসরি ফেইসবুক থেকে ডাউনলোড
করতে চাইলে ......
https://www.facebook.com/groups/tanbir.ebooks
Monday, December 7, 2015
আর্থিকভাবে জীবনে সফল হওয়ার ৬টি গোপন সূত্র ওয়ারেন বাফেট

আর্থিকভাবে জীবনে সফল
হওয়ার ৬টি গোপন সূত্র
ওয়ারেন বাফেট একজন আমেরিকান বড়
ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী এবং একনিষ্ঠ
সমাজসেবী। তিনি বিংশ শতাব্দীর সব
থেকে সফল বিনিয়োগকারী। বার্কশায়ার
হ্যাথওয়ে নামক বিখ্যাত কোম্পানীর
চেয়্যারম্যান, প্রধান নির্বাহী এবং বিশাল
অংশীদার। তিনি ২০০৮ সালে পৃথিবীর শীর্ষ
ধনী নির্বাচিত হন এবং ২০১৫ সালে
নির্বাচিত হন পৃথিবীর শীর্ষ ৩য় ধনী
হিসেবে। ২০১৩ সালে টাইম ম্যাগাজিন
তাকে পৃথিবীর সব থেকে প্রভাবশালী
ব্যক্তি হিসেবে নির্বাচিত করে।
আর্থিকভাবে তিনি জীবনে সফল- একথা
নিশ্চিন্তে বলা যায়। কিন্তু ওয়ারেন বাফেট
আর সকল ধনীদের চাইতে একটু ভিন্ন ধরনের
লোক। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আলাপ
চারিতায় আর্থিক জীবনে সফল হওয়ার
সূত্রগুলো তুলে ধরেন। মুক্তমঞ্চ.কম খুঁজে বের
করেছে আর্থিকভাবে জীবনে সফল হওয়ার
৬টি গোপন সূত্রঃ
On earning: “Never Depend on single Income. Make
Investment to create a second source.”
উপার্জনঃ কখনই আয়ের একমাত্র উৎসের উপর
নির্ভর করবেন না। বিনিয়োগের মাধ্যমে
আরেকটি উৎস তৈরী করুন।
ব্যাখ্যাঃ ধরুন আপনি মাসে ৫০,০০০ টাকা
বেতনের একটি চাকরী করছেন। আপনার
লাইফস্টাইল ওইভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এবার
আপনি যদি কোন কারনে বহিষ্কৃত হন বা
আপনার চাকরী চলে যায় তবে আপনি কি
ধরনের বিপদে পরবেন বুঝতে পারছেন?? এখন ধরুন
আপনি বলতে পারেন আমি সরকারী
চাকরীজীবি, সরকারী চাকরী সহজে যায়
না। তাহলে আপনাকে বলবো আপনি আমাকে
ভুল বুঝবেন না, ধরুন (আল্লাহ না করুন) যদি গুরুতর
এক্সিডেন্ট করে বেডে শুয়ে গেলে তখন কি
আর চাকরী থাকবে?? তাই জীবনে কোন
চাকরীকে চিরস্থাথী মনে করবেন না। কোন
ব্যবসাকে চিরস্থায়ী মনে করবেন না। তাই
আপনার সামর্থ্যের মধ্য থেকে দ্বিতীয় কোন
উপার্জনের উৎস তৈরী করুন। মুক্তমঞ্চ
On Spending: “If you buy things you do not need, soon
you will have to sell things you need.”
খরচঃ আপনার যা প্রয়োজন নেই যদি আপনি ক্রয়
করেন, তবে শ্রীঘ্রই আপনার যা প্রয়োজন তা
বিক্রি করতে হবে।
ব্যাখ্যাঃ খুব বেশী প্রয়োজন না হলে
বিলাসদ্রব্য কিনবেন না। আমরা আমাদের
প্রয়োজন ছাড়াও অনেক পণ্য কিনে থাকি। ধরুন
আপনার একটি স্মার্ট ফোন আছে এবং একটি
ল্যাপটপও আছে। কিন্তু এবার যদি আপনি
প্রয়োজনের বাইরে নতুন একটা ডেস্কটপ
কম্পিউটার কিনতে চান, তাহলে সেটা হয়ে
যাবে অপ্রয়োজনীয়। পরে দেখা যেতে
পারে আপনার জরুরী প্রয়োজনে ওইগুলো
বিক্রি করা লাগতে পারে। আর আপনি আমি
দুজনেই জানি বিক্রির সময় যথার্থ মূল্য আপনি
কখনই পাবেন না। মুক্তমঞ্চ
On Saving: “Do not save what is left after spending, but
spend what is left after saving.
সঞ্চয়ঃ খরচের পর যা অবশিষ্ট থাকে তা সঞ্চয়
না করে বরং সঞ্চয়ের পর যা অবশিষ্ট থাকে
তা খরচ করুন।
ব্যাখ্যাঃ আমরা সারাটা জীবন এই যায়গায়
ভুল করি। আমরা সব খরচ করার পর যখন দেখি
২০০/৫০০ টাকা থাকে তখন তা সঞ্চয় করি।
যদিও বাংলাদেশের ৮০% লোক কোন ধরনের
সঞ্চয় করে না। আপনি আর্থিকভাবে নিরাপদ
থাকতে চাইলে অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে।
যেমন ধরুন্ আপনি ১০,০০০ টাকা বেতন পান।
এবার ১০০০ টাকা সবার আগে ব্যাংকে জমা
দিন। বাকি ৯০০০ টাকা দিয়ে সংসার
পরিচালনা করার বাজেট করুন। তাহলে
বিপদের সময় এই ষঞ্চয় আপনার একটি বিশাল
সাপোর্ট দেবে। মুক্তমঞ্চ
On Taking Risk: “Never test the depth of river with both
the feet”
ঝুঁকিঃ আপনার দুই পা ডুবিয়ে দিয়ে কখনই
নদীর গভীরতা মাপবেন না।
ব্যাখ্যাঃ কোথাও কোন ধরনের কাজ ফুল
রিস্ক নিয়ে করবেন না। সব সময় একটা ব্যাকআপ
নিয়ে রাখবেন। ধরুন আপনি একটি বাড়ি
তৈরী করবেন। এবার আপনার সকল অর্থ বাড়ীর
পিছনে ঢালবেন না। কিছু টাকা সবসময়
ব্যাকআপ হিসেবে রেখে দেবেন। কারন
প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারনে বাড়ির ক্ষতি
হলে বা একদম গুড়িয়ে গেলে কিন্তু আপনার
সমস্থ পরিশ্রম মাটি হয়ে যাবে। মুক্তমঞ্চ
On Investment: “Do not put all eggs in one basket.”
বিনিয়োগঃ কখনই সব ডিম এক ঝুড়িতে
রাখবেন না।
ব্যাখ্যাঃ এই কথার সবথেকে বড় উদাহরন
বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট। যখন শেয়ার
মার্কেট খুব জমজমাট ছিলো তখন অনেকেই
বাড়ি, গাড়ি ব্রিক্রি করে শেয়ার কিনে
ছিলেন। পরবর্তীতে সেই শেয়ারের দাম পরে
গেলে অনেকেই পথের ফকির হয়ে গেছে।
অথবা যে চাকচিক্যময় জীবন যাপন করতো সে
হয়ত এখন কোন রকম খেয়ে পরে বেঁচে আছে।
তাই আপনার জীবনের সকল অর্থ কখনই কোন
একটা প্রজেক্ট ব্যয় করবেন না। মুক্তমঞ্চ
On Expecations: “Honesty is very expensive gift. Do not
expect it from cheep people.”
প্রত্যাশাঃ সততা খুবই দামী একটা উপহার।
এটা কখনই সস্তা লোকদের নিকট থেকে
প্রত্যাশা করবেন না।
ব্যাখ্যাঃ সততা আসলেই খুব দামী জিনিস।
আর সততা মানুষের মাঝে খুঁজে পেতে হলে
আপনাকে খুব সতর্ক হতে হবে। দেখা গেলো,
আপনার সমস্থ সোনা গয়না কারো কাছে
আমানত রাখলেন, পরে ঐ ব্যক্তি আপনার সমস্থ
সোনা গয়না নিয়ে পালিয়ে গেলো অথবা
বললো, একটা বা দুইটা গহনা হারিয়ে গেছে।
তখন আপনি কি করবেন। তাই, যাকে তাকেই সৎ
বা বিশ্বাসী মনে করবেন না। এই সৎ লোক
খুঁজে পেতে হলে আপনাকে খুব সতর্ক হতে হবে।